এখন যে কাজগুলো না করলে পরে পস্তাবেন

আমরা প্রায় কেউই সময় থাকতে সময়ের মূল্য দিই না। আর যখন সময় পেরিয়ে যায় তখন আফসোস করি। তারুণ্য ও যৌবন হচ্ছে একজন মানুষের জীবনের সেরা সময় কিন্তু আমরা এই সময়টাই সবচাইতে বেশী ভুলে ভুলে কাটিয়ে দিই। আমরা সবসময় নিজেকে খুব সঠিক মনে করি, ভাবি ঠিক পথেই এগুচ্ছি। এবার নিচের তালিকাটি দেখে নিন কেননা এমন কিছু ভুল আমরা সবাই করছি, যার কারণে হয়তো শেষ বয়সে আফসোসের অন্ত থাকবে না। আসুন, জেনে নিই এমন ১৫টি কাজ সম্পর্কে যেগুলো যৌবনেই করে ফেলা চাই।

১) জীবনকে উপভোগ করার সময়ও এই যৌবন। টাকার নেশায় কেবল মেশিনের মত ছুটে চলবেন না। বরং জীবনকে উপভোগ করুন। জীবন ও কাজের মাঝে একটা সামঞ্জস্য রক্ষা করে চলুন।

২) শেষ বয়সে আপনার আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে যৌবনেই। আজই প্ল্যান করুন রিটায়ারমেনটের!

৩) সন্তানদেরকে মানুষের মত মানুষ গড়ে তোলার কাজটি শুরু করতে হবে যৌবনেই।

৪) উচ্চ শিক্ষার জন্য আদর্শ সময়ও এটাই। হেলায় এই সময় হারালে আফসোস হবেই জীবনে।

৫) একটি বাজে চাকরি কখনোই আজীবন আঁকড়ে ধরে রাখবেন না। যৌবনেই নিজের ক্যারিয়ার গড়ে তুলুন।

৬) একটি স্বাস্থ্যকর জীবনের চর্চা করুন, শরীরের ওপরে অত্যাচার করবেন না। যৌবনে যদি ভালো স্বাস্থ্য গড়ে তুলতে না পারেন, বৃদ্ধ বয়সে ভীষণ কষ্ট পেতে হবে।

৭) পছন্দের মানুষটাকে হারিয়ে ফেলবেন না। যৌবনে নানা কারণে ভালোবাসার মানুষটির হাত আমরা ধরতে পারি না। আর এই ভুলের জন্য শেষ বয়সে আফসোস হবেই। অন্যদিকে একটি ভুল সম্পর্কেও নিজেকে বেঁধে রাখবেন না। জীবন একটাই, মনে রাখুন সত্যটি।

৮) যাকে “স্যরি” বলার, আজই বলে ফেলুন। যাকে ধন্যবাদ জানাতে চান, তাঁকেও আজই জানিয়ে ফেলুন। জীবনের কথা কেউ অগ্রিম বলতে পারে না। তাই যা করুন আজই।

৯) পরিবার ও প্রিয় মানুষদের সাথে সময় কাটান। তাঁদেরকে ভালবাসুন, সময় দিন। এই একটি কাজ পরে করবো ভেবে ফেলে রাখবেন না কখনোই।

১০) নেশা সহ অন্য যে কোন অভ্যাস থাকলে ত্যাগ করুন আজই।

১১) পরিবারের গুরুজনদের অবহেলা করবেন না, যতটা পারুন তাঁদেরকে সময় দিন। তাঁরা চলে গেলে আর তাঁদেরকে পাবেন না, আফসোস থাকবে সারা জীবন।

১২) যৌবনে ঝোঁকের মাথায় বন্ধুত্ব ও আত্মীয়তা নষ্ট করা খুবই স্বাভাবিক। এই স্বভাব বদলে ফেলুন। নাহলে শেষ জীবনে নিঃসঙ্গ হয়ে পড়বেন।

১৩) দাঁতের যত্ন করুন। শেষ বয়সে বুঝবেন দাঁত কত দামী!

১৪) নতুন অভিজ্ঞতা, ভ্রমণ ইত্যাদিকে ভয় পাবেন না। জীবনকে উপভোগ করার সব সুযোগ লুফে নিন।

১৫) মা বাবার উপদেশ শুনুন। নাহলে শেষ বয়সে গেলে বুঝবেন এই উপদেশ গুলো শোনা কতটা জরুরী ছিল আপনার জন্য।

Leave a Comment